বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (BMU)-এর জনস্বাস্থ্য ও ইনফরমেটিক্স বিভাগ (DPHI) মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ডা. এফ. এম. সিদ্দিকের উপস্থিতিতে Hope Foundation for Women and Children of Bangladesh এবং Alo Bhubon Trust-এর সাথে দুটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করেছে, যা দেশে জনস্বাস্থ্য গবেষণা, শিক্ষা এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত।
চুক্তিপত্রসমূহে স্বাক্ষর করেন BMU-এর জনস্বাস্থ্য ও ইনফরমেটিক্স বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. মো. আতিকুল হক, Hope Foundation-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট ডা. ইফতিখার মাহমুদ এবং Alo Bhubon Trust-এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. গোলাম আবু জাকারিয়া। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ, প্রো-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) প্রফেসর ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার, প্রো-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ডা. মো. নজরুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার ডা. মো. মুস্তাফা কামাল, Hope Foundation-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. আফতাব উদ্দিন এবং DPHI-BMU-এর শিক্ষকবৃন্দ।
মাননীয় উপাচার্য তার বক্তব্যে Hope Foundation-এর সাথে যৌথ উদ্যোগে ফিস্টুলা গবেষণা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং Alo Bhubon Trust-এর কার্যক্রমের সাথে সামঞ্জস্য রেখে BMU-তে বিশেষ করে ক্যান্সার চিকিৎসায় মেডিকেল ফিজিক্স ও আন্তঃবিভাগীয় গবেষণা সম্প্রসারণের ওপর জোর দেন। পাশাপাশি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, যৌথ গবেষণা, কমিউনিটি স্বাস্থ্যসেবা, ডিজিটাল স্বাস্থ্য উদ্ভাবন, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং নীতিনির্ধারণে গবেষণার ফলাফল প্রয়োগের মাধ্যমে MoU-এর কার্যকর বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
প্রফেসর ডা. মো. আতিকুল হক উল্লেখ করেন যে, এই MoU সমূহ একাডেমিক উৎকর্ষতা ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবায়নের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করবে এবং গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও সেবাদানে নতুন সুযোগ সৃষ্টি করবে। ডা. ইফতিখার মাহমুদ বলেন, Hope Foundation-এর মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা এই সহযোগিতাকে আরও কার্যকর করে তুলবে এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রফেসর ডা. গোলাম আবু জাকারিয়া আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই অংশীদারিত্ব অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধে গবেষণা, সচেতনতা ও সক্ষমতা উন্নয়নের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। MoU স্বাক্ষর কার্যক্রম ও পরবর্তী একাডেমিক সেশনসমূহ সমন্বয় করেন BMU-এর জনস্বাস্থ্য ও ইনফরমেটিক্স বিভাগের ডা. ফারজানা ইসলাম। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই সহযোগিতা একাডেমিক উৎকর্ষতা ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রমের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপন করবে এবং গবেষণা, শিক্ষা ও জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখবে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের অংশীদারিত্ব প্রমাণভিত্তিক জনস্বাস্থ্য চর্চা উন্নয়ন, স্বাস্থ্যব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ এবং দেশের ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সার্বিক কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
অনুষ্ঠান শেষে উভয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা DPHI-BMU পরিদর্শন করেন, শিক্ষকবৃন্দের সাথে সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র নির্ধারণে আলোচনা করেন এবং MPH ১৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সাথে একটি ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশনে অংশগ্রহণ করেন।











